Skip to main content

১.১. বাইবেল শব্দ

১.১. বাইবেল শব্দ 

>আক্ষরিক অর্থ 

>থিওলজিকাল এডাপশন

ইহুদী ও খ্রিস্টানদের ধর্মগ্রন্থের নাম বাইবেল (Bible)। বাইবেল শব্দটি বাইবেলে অনুপস্থিত: ইশ্বর তার ধর্মগ্রন্থকে বাইবেল নাম দেননি, তার ভাববাদীরা (নবী) বাইবেল নাম দেননি। এমনকি বইগুলো যখন লেখা হয় তখনকার সমসাময়িক বিশ্বাসীরাও "বাইবেল" নামে বাইবেলকে চিনেননি। এর প্রধান কারন হল বাইবেল বইটি নিজেই অনেকগুলো ভিন্ন ভিন্ন ক্যাটেগরির ছোট ছোট বইয়ের সমষ্টি (Anthology)। প্রতিটি বইয়ের আলাদা নাম আছে (যেগুলো ইশ্বর প্রদত্ত না) ফলে সব বইগুলোকে তো আর একটি বইয়ের নামে ডাকা যায় না। গ্রিক হেলেনিক পিরিয়ডে গ্রিকভাষী ইহুদিরা ছোট ছোট বইগুলোকে সামগ্রিকভাবে "টা বিবলিয়া" বলে ডাকত। যেমনটা মুসলিমরা আল-কিতাব দিয়ে কুরআন মাজিদকে বুঝিয়ে থাকে যদিও কিতাবের আক্ষরিক অর্থ "বই" এবং সব বইয়ের জন্য জেনারেল সেন্সে ব্যবহৃত হয়। টা বিবলিয়া শব্দটি কয়িন গ্রিক— অর্থ "বইগুলো"— একবচন শব্দ "বিবলিয়ন" থেকে এসেছে যার আক্ষরিক অর্থ "স্ক্রল"। যদিও এ দিয়ে বই বোঝানো হত সাধারণত, যেহেতু সেসময়ে বই স্ক্রল আকারে লেখা হত। এখন তো দুই মলাটের মাঝে পৃষ্ঠা পৃষ্ঠা আকারে থাকে।  

এফ এফ ব্রুসের মত জন ক্রাইসোস্টম প্রথম যিনি টা বিবলিয়া দিয়ে ওল্ড টেস্টামেন্ট আর নিউ টেস্টামেন্ট উভয়কে একসাথে বুঝিয়েছেন। [*] পরবর্তীতে এই গ্রিক শব্দ ল্যাটিনে এসে বিবলিয়া স্যাক্রায় (holy book) পরিবর্তিত হয়। মধ্যযুগে ল্যাটিন "বিবলিয়া স্যাক্রা" শব্দটি সংক্ষিপ্ত হয়ে বিবলিয়া-য় পরিনত হয়। ল্যাটিন থেকে ইংরেজি বাইবেল এসেছে।  

.